মহান একুশে দিবস পালন করার জন্য রাস্তায় নেমেছে প্রতিটি দল। একুশে জুলাই মানেই এক নতুন ভোর এবং নতুন স্বপ্ন বুনন ও অদম্য লড়াইকে উজ্জীবিত করার দিন। আগামীকাল একুশে জুলাইয়ের জন্য মা-মাটি-মানুষ সকলে প্রস্তুত। প্রতি বছরের ন্যায় আজ, তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মীরা ধর্মতলায় ঐতিহাসিক একুশে জুলাইয়ের প্রস্তুতি পর্ব সরেজমিনে পর্যালোচনা করলাম এবং তৃণমূল নিবেদিতপ্রাণ সকল দলীয় কর্মীদের সঙ্গে বিশেষ সময় বীরভূম জেলা পরিষদের সভাধিপতি শেখ কাজল। কালকের দিনটি সকল তৃণমূল কংগ্রেস কর্মীর কাছে এক বিশেষ দিন। আগামীকাল শহিদ তর্পণ করতে ইতিমধ্যেই সারা বাংলা থেকে অগণিত আমার সহযোদ্ধারা মহানগরের মাটিতে এসে উপস্থিত হয়েছেন। কাল যাঁরা আসবেন, তাঁরা সকলে সাবধানে আসবেন।আমি মা-মাটি-মানুষকে কালকের জন্য হৃদয়ের অন্তর থেকে সবিনয় আমন্ত্রণ জানাচ্ছি। আমরা দীর্ঘদিন ধর্মতলায় শহিদ তর্পণ করি, কারণ সেই ১৩ জন সহযোদ্ধার রক্তে এই স্থানের মাটি ভিজে ছিল। তাঁদের দেহ লুটিয়ে পড়েছিল এইখানেই। সেই রক্তে রাঙা ইতিহাস মুছে দিতে চলেছে যারা, তাদের চক্রান্ত ব্যর্থ করবে বাংলার মানুষ। আগামীকাল সাধারণ মানুষ, বিশিষ্ট বুদ্ধিজীবী-সহ তৃণমূল কংগ্রেসের একনিষ্ঠ কর্মী-সমর্থকেরা উপস্থিত থাকবেন ঐতিহাসিক একুশে জুলাইয়ের মঞ্চে।
দিব্যেন্দু গোস্বামী। পশ্চিমবঙ্গ। বীরভূম।

শো শো










