দিব্যেন্দু গোস্বামী
বীরভূম, ওয়েস্ট বেঙ্গল
এ যেন এক আলাদা স্পার্টাকাসের যুগ। স্পর্টাকাস ইতিহাসে পাতায় স্থান করে নিয়েছে একজন ক্রীতদাসের চরিত্রে। তখনকার দিনে রাজা-মহারাজারা কিনে নিয়ে আস্ত যে সমস্ত ক্রীতদাসদের কে বা যুদ্ধে পরাজিত হলে পরাজিত সৈন্যদেরকে নিয়ে আসা হতো বাড়ি কিংবা রাজমহলে কাজ করানোর জন্য। খাদ্য এবং বাসস্থান তারা ঠিকভাবে পায়নি। কখনো আবার ভারি ভারি পাথর তুলে সেখান থেকে তৈরি করা হতো ইমারত। তার সঙ্গী হয়ে ছিল অন্যান্য ক্রীতদাসরাও। তিনি জিহাদ ঘোষণা করেছিলেন রোমের রাজার বিরুদ্ধে। ওই সমস্ত রাজা-মহারাজাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে জয় লাভকিন্তু শেষ পর্যন্ত তা হয়ে ওঠেনি। মৃত্যুবরণ করতে হয়েছিল তাকে। কিন্তু তার এই যে লড়াই এই লড়াই বাংলাদেশেও এইভাবে হিন্দুদের ওপর বেছে বেছে অত্যাচার আর সহনশীল নয় বলে জানিয়েছে হিন্দুরা।এবার জেগেছে হিন্দু, ধর্মান্তরিত আটকালো সনাতনী হিন্দুরা। হরি মন্দির কালো কাপড় দিয়ে ঢেকে রেখে খ্রিস্টানদের নাম গান চলছিল হিন্দুদের ঘরের মধ্যে। ধর্ম পরিবর্তন করার পর। এবার গ্রামের লোকজন মিলে রুখে দিল নিজের হাতে। শঙ্খ বাজিয়ে কাসর বাজিয়ে নতুন করে হরি মন্দিরে তুলসী চারা লাগিয়ে ধুপ জ্বালালো সনাতনইরা। এভাবেই প্রতিবাদ জারি থাকুক। ঘটনাটি ঘটেছে বাংলাদেশের
পাঁশকুড়া, নাস্করদীঘি গ্রামে। এতদিন ধরে তারা সহ্য করে এসেছে মুসলমানদের অত্যাচার সেই বিরুদ্ধে তারা সর্বশান্ত হয়েছিল। সেই মহিলারাই আজ আবার নতুন করে আটকে দিল ধর্মান্ধকরণের এই প্রক্রিয়া। মানুষের মনের মধ্যে যে এত কিছু ভীতসন্ত্রস্ত অবস্থায় থাকে কিন্তু ঘটনা পরিক্রমায় কখনো কখনো তা অন্তর থেকে বেরিয়ে এসে সজোরে আঘাত করে মাথায়। মাথা থেকে বেরিয়ে আসে শক্তি সেই শক্তিতেই বলবান হয়ে মানুষ প্রতিরোধ প্রতিশোধ নেওয়ার চেষ্টা করে। এই ঘটনায় আরো একবার প্রতিষ্ঠিত হলো হিন্দু জাগরণের কাহিনী।









